|
| |
| Mostafa Jabbar, BCS |
|
প্রথমত আমি অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিই, যে পদ্ধতিতে তিনি বাজেট ঘোষণা করেছেন এবং বাজেট বক্তব্যের মধ্যে তিনি যে বিষয় গুলো উপস্থাপন করেছেন সর্বপরি যে বাজেট সে বাজেটটাকে আমি ইতিবাচক মনে করি।এবং আমি মনে করি যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বলার পরে সরকার দ্বিতীয় বাজেট যে পেশ করেছেন সেটা গতবছরের বাজেটের চেয়ে অনেক অনেক স্পষ্ট এবং অনেক বেশী কার্যকর ভাবে একে কাজে লাগানো যাবে আমি মনে করি। এবারের বাজেটে যে কটা বিষয় আছে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়ে স্পষ্ট করে উনি দুটি বিষয়ে বলেছেন একটি টেলিকম সেক্টরে ও সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি সেক্টরে এবং এই ক্ষেত্রে সরকার কি করেছে এবং সরকার কি করবে সে বিষয় গুলি উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমরা ২০২১ সালের যে স্বপ্নটি বাস্তবায়ন করতে চাই সে স্বপ্নটা এই সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে চাই তাহলে অর্থমন্ত্রীকে আরো দ্রুত গতিতে এগোতে হবে। এবং কতগুলো নির্দিষ্ট বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে যদি বলা না হয় তাহলে এই জায়গাটা অতিক্রম করা কঠিন হবে। আমি তিন চার বিষয় উল্লেখ করতে চাই একটা যেটা সেটা আমি বরাবরই বলে আসছি যেটা ডিজিটাল গর্ভমেন্ট তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে এই বাংলাদেশ যে পরিচালনা সেটা হলো ডিজিটাল সরকার।এই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য কোন সুস্পষ্ট কোন ঘোষণা নেই। আমি ডিজিটাল সরকার বলতে যেটা বুঝি সেটা খুবই স্পষ্ট; সরকার বর্তমানে যে পদ্ধতিতে কাজ করে, যে পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণ করে, যেই পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এটির পরিবর্তন করা দরকার। সেক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করা অতএব সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি ডিজিটাল সরকারের অংশ। একটা ওয়েবসাইট করলাম অথবা দুইটা পোর্টাল করলাম, এটা আগে ইগর্ভমেন্ট বললে বেশ ভালোই শুনাতো। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়না তাতে সরকারের চরিত্রের কোন পরিবর্তন হয়।পরিবর্তনটা কাজ করার ক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে হবে। আমি আশা করেছিলাম অর্থমন্ত্রী এক্ষেত্রে একটা বিশেষ বরাদ্দ থাকবে। যাতে সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের এক্ষেত্রে কাজ করতে পারে। অন্যান্য অবকাঠামোগত বিষয়ে সরকার যে বরাদ্দের রেখেছে তা হয়তো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করতে হবে। সরকার ডিজিটাল শিক্ষা বিষয়ে বলেছে এক্ষেত্রে তারা স্কুল গুলোতে ডিজিটাল ল্যাব করার কথা বলা হয়েছে। তা আমাদের প্রয়োজনের তুলনায় সীমিত। প্রত্যাশা করেছিলাম সরকার জনগণের ক্ষমতায়ণের বিষয়টা আসবে। আপনি ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলছেন কিন্তু জনগণ কিভাবে ডিজিটাল যন্ত্র পাবে সে বিশেষ ঋণের ব্যবস্থা করা উচিত ছিলো। সরকারের আইসিটি পলিসিতে বলছে এডিপির ২% বরাদ্দ করবে আইসিটি ক্ষেত্রে বাজেটে কিন্তু তা নেই। |
|
|