|
ওভারঅল বাজেটটি হতাশাজনক নয়, তবে আশঙাকাজনক। কারন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য যা যা থাকা উচিত ছিল, তা নেই। যেমন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপে ২৩টি প্রজেক্ট আছে, এবং ৩০০০ টাকা বরাদ্ধের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু তারমধ্যে আইসিটি একেবারেই নেই। এখানে পাওয়ার প্লান্ট আছে ৬টি, এলিভেটর আছে, রাজশাহীর সিটি কপোরেশন মার্কেট আছে, বরিশালে অডিটোরিয়াম আছে, এ.কে খান হেলথ ক্লাব আছে, শিশু হাসপাতাল আছে; কিন্তু আইসিটি সংক্রান্ত কিছু নেই। যা হোক এখানে ৩০০০ কোটি টাকার মধ্যে ১৬০০ কোটি টাকা বাংলাদেশ ইনফ্রাসটাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড করা হয়েছে। আমরা আশা করছি যে, এই ১৬০০ কোটি টাকা দিয়ে যদি সেকেন্ড সাব-মেরিন কেবল লাইনটি করা হয় এবং হাইটেক পার্কটি করা হয়, তাহলে আসলে ডিজিটাল বাংলাদেশ করার পক্ষে প্রকৃত জাস্টিস করা হবে। এছাড়া হাইটেক পার্কের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু তার কোন পদার্থ আমরা এখন পর্যন্ত দেখিনি। মিনিস্ট্রি অব সায়েন্স এন্ড আইসিটিতে ৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্ধ আছে, যার মধ্যে ২৮০ কোটি টাকা অনুন্নোয়ন এবং ১৭০ কোটি টাকা উন্নয়ন বরাদ্ধ; কিন্তু আমাদের আইসিটি পলিসিতে ছিল যে, এডিবির ৫০ ভাগ, অর্থাত সবমিলিয়ে মিনিস্ট্রি অব সায়েন্স এন্ড আইসিটিতে বরাদ্ধ হওয়া উচিত ৩৮০০ কেটি টাকা। এছাড়া ১২০০ কম্পিউটার ল্যাব উপজেলা পযায়ে করার কথা বলা হয়েছে, সেটাও পজিটিভ। আমরা বেসিস-এর পক্ষ থেকে মনে করি প্রথমত বাজেটে আইসিটির বিষয়টি আসা প্রয়োজন আরো ভালভাবে, দ্বিতীয়ত ইনফ্রাসটাকচার ও হাইটেক পার্ক-এর জন্য বরাদ্ধ থাকা দরকার, তৃতীয়ত মনিবসম্পদ উন্নয়নের জন্য বরাদ্ধ এবং চতুর্থত রিসার্চ এ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের জন্য বরাদ্ধ থাকা প্রয়োজন।
|